মোহনজী কে ?

Mohanji describes himself as a friend of the world, as a person trying to raise the awareness of generations from selfishness to selflessness. He has dedicated his life to serving the world with this single purpose – to raise humans to achieve the highest values of human potential such as kindness, compassion and non-violence. Or in other words, make the transition from human-kind to kind humans.
Mohanji firmly believes that humanity is the best religion for humans and the best practice is ahimsa, or non-violence – in thoughts, words or actions towards fellow beings across all species.
In Mohanji’s words, “True wealth comes from what we give to this earth, not from what we take”.
His core teaching is simply “Be You”; accept, understand, recognize and express your uniqueness into the world.

To fulfill his purpose, Mohanji has founded various charities and non-profit organizations that act as platforms for people to express their kindness and compassion through selfless acts that add value to society. These include Mohanji Foundation, Ammucare Charitable Trust, ACT Foundation, Himalayan School of Traditional Yoga, World Consciousness Alliance, Early Birds Club to name a few. Mohanji Foundation is headquartered in Switzerland and today, there are over 17 countries where some or all of these institutions are formally registered while followers are present in over 90 countries.

"আপনি আমাকে যা মনে করবেন আমি তাই ।"

মুক্তি হল মোহনজী র শিক্ষার মূল ভিত্তি যেখানে তিনি আমাদের সহায়তা করেন কোথায় দেখতে হবে, কিন্তু কী দেখতে হবে তা বলে দেন না । তিনি জীবনের শক্ত বাঁধন, ভ্রান্ত ধারণা এবং গতে বাঁধা অভ্যাস থেকে মুক্তির উপর খুব জোর দেন । তিনি নিজেও কার্যত এটি প্রদর্শন করেন বদ্ধ মানসিকতা থেকে মুক্ত জীবনযাপনের মাধ্যমে – মানুষ, সময়, স্থান, পরিস্থিতি বা ধারণা নির্বিশেষে তিনি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকেন, কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই জীবনকে সম্পূর্ণ গ্রহণ করেন ।
মোহনজী বলেন “প্রকৃত দক্ষতা হলো নিজের মনকে আয়ত্তে আনা |” তিনি সবসময়ই বলেন যে আধ্যাত্মিকতার প্রকাশ হয় তখন, যখন আমরা সচেতনতার সাথে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন করি | তিনি পথহীনতার পথকে সমর্থন করেন যেখানে স্বতঃস্ফূর্ততা এবং স্রোতের সাথে বয়ে চলা রয়েছে; রয়েছে সম্পূর্ণরূপে নিজের নিজস্বতা প্রকাশ করা |
মোহনজী জীবনের সাথে রোমান্স করে চলেন | তিনি বিশ্বাস করেন জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় একটি নবজাতকের বিস্ময় এবং কৌতুহল নিয়ে – কোনো পূর্ব ধারণা বা রায় পোষণ না করে |

"যখন আমরা প্রতিটি প্রাণীর মধ্যে ঈশ্বরকে দেখি, তখন আমাদের হৃদয়ে প্রেম বিরাজ করে কারণ তখন আমরা প্রতিটি সত্তার মধ্য দিয়ে ঈশ্বরকে প্রেম নিবেদন করি ।"

মোহনজীর জীবনদর্শনের মূল স্তম্ভ

ভারসাম্যপূর্ণ মানব অস্তিত্বের ভিত্তি এবং স্তম্ভ হিসাবে তিনি সমস্ত প্রজাতির সহ-প্রাণীর প্রতি বিশুদ্ধতা, বিশ্বাস, নিঃশর্ত ভালবাসা এবং নিঃস্বার্থ সেবার উপর জোর দেন । তিনি কৃতজ্ঞতা জানানোর প্রার্থনাকে সর্বোচ্চ প্রার্থনা হিসাবে বিবেচনা করেন যা অভ্যন্তরীণ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি করে এবং কৃপা ও প্রাচুর্য উভয়কেই আকর্ষণ করে ।
তাঁর সকালের প্রার্থনা হল, “ঈশ্বর,আমাকে পৃথিবীতে আরও একদিন সেবা করতে দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ |” তার পরে তিনি নিজেকে প্রশ্ন করেন, “আমি আজ বিশ্বের জন্য আর কী করতে পারি ?” তিনি প্রত্যেককে একইভাবে ভাবতে উৎসাহিত করেন যাতে সকলে তাদের সামর্থ্যর মধ্যে এবং প্রভাবের সুযোগ নিয়ে বিশ্বে যে মূল্য যোগ করেছেন তার দ্বারা পৃথিবীতে তাদের অস্তিত্বের মূল্যায়ন করতে পারেন ।

আধ্যাত্মিকতা একটি জীবনধারা

মোহনজী, একজন পারিবারিক মানুষ এবং একজন প্রাক্তন কর্পোরেট পেশাদার হওয়ার কারণে, বিশ্বাস করেন যে আধ্যাত্মিকতা একজন ব্যক্তির জীবনের প্রতিটি দিকের একটি অংশ | তাঁর নিজের জীবনযাপনের উদাহরণ এটি প্রমাণ করে ।
তিনি তার জীবনের সমস্ত ভূমিকা যথাসম্ভব ভালোভাবে পালন করেন – একজন কর্তব্যপরায়ণ পুত্র, একজন স্নেহময় স্বামী, একজন সহজাত পিতা, একজন সহায়ক বন্ধু, একজন উৎসাহজনক পথপ্রদর্শক এবং একজন অবিচল নাগরিক । প্রতিটি ক্ষেত্রে, মোহনজী তার ভূমিকা নিখুঁতভাবে সম্পাদন করেন ।
যদিও তার জনজীবন ২০১২ সালে শুরু হয়েছিল, সেখান থেকে তার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতির বর্তমান স্তরে পৌঁছানো ছিল একটি কঠিন যাত্রা । সেই যাত্রাপথে বহু বাধা-বিপত্তি, আপত্তি, বিশ্বাসঘাতকতা ও ব্যর্থতা সত্ত্বেও তিনি একা চলতে ভয় পাননি । প্রথমে তাঁকে কেউ না চিনলেও, তিনি তার সেবা, ভালবাসা এবং মানবতার প্রতি দৃঢ় প্রত্যয়ের মাধ্যমে নিজেকে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতিতে উন্নীত করেছেন ।
তিনি বিশ্বাস করেন যে পৃথিবীতে তার উপস্থিতির পেছনে রয়েছে চিরন্তন মুক্তির শক্তিশালী ঐতিহ্যের অনুগ্রহ ও সমর্থন এবং সেই ঐতিহ্য অনুসারে চিরন্তন স্বাধীনতায় জীবনযাপনকারী বহু মহাত্মাদের আশীর্বাদ |

“জীবন মানে সার্থক হওয়া কিন্তু আলমারিতে সাজানো কাপ আর ট্রফির মাধ্যমে নয় | এটি সেই আশীর্বাদ যা আপনি অসহায় প্রানীদের বিলিয়ে দিতে পারেন । এটি অন্য প্রানীদের জীবনে ভালো কিছু করতে পারার ক্ষমতা । সত্যিকারের সার্থকতাগুলোকে আঙুলে গণনা করা যায় না, শুধুমাত্র একজনের আধ্যাত্মিক উন্নতি, একজন কতটা মুক্ত তার মাধ্যমে পরিমাপ করা যায় । সত্যিকারের সার্থকতা হল সেই বাস্তব মুহূর্তগুলো যখন আমরা নিঃস্বার্থভাবে বেঁচেছিলাম । এই একমাত্র জায়গা যেখানে সবাই জয়ী হয় । বাকি সমস্ত বস্তুগত অর্জনই কারো জন্য লাভ আবার অপর কারো জন্য ক্ষতি ।“

বিশ্বব্যাপী পদচিহ্ন

মোহনজী অনেকগুলি সংস্থা শুরু করেছেন যার মধ্য দিয়ে যারা তাঁর সাথে মেলামেশা করতে চান, তারা দয়া এবং সহানুভূতির ধারাবাহিক কাজের মাধ্যমে সমাজে মূল্য যোগ করার সুযোগ পান । তাঁর নেতৃত্ব একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, তিনি সর্বদা ব্যস্ত থাকেন অপরের সাহায্য করায় এবং সেবামূলক কাজে | তিনি সর্বদাই প্রস্তুত থাকেন এরম প্রকল্প কে এগিয়ে নিয়ে যেতে যা সমাজের বিকাশ ও উন্নতি করে । তিনি আম্মুকেয়ার, ACT ফাউন্ডেশন, মোহনজি ফাউন্ডেশন, হিমালয়ান স্কুল অফ ট্র্যাডিশনাল যোগা, ওয়ার্ল্ড কনসায়েন্স অ্যালায়েন্স এবং আর্লি বার্ডস ক্লাবের মতো বিভিন্ন দাতব্য প্রকল্প এবং সংস্থানগুলি প্রতিষ্ঠা করেছেন ।
আজ, প্রায় ১৫টি দেশ রয়েছে যেখানে এই প্রতিষ্ঠানগুলির কিছু বা সমস্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয়েছে এবং মোহনজীর অনুগামীরা ৮০টিরও বেশি দেশে উপস্থিত রয়েছে । তারা সম্মিলিতভাবে কাজ করে মোহনজীর আদর্শ কে এগিয়ে নিয়ে যেতে, যে আদর্শ মানুষকে তার সর্বোচ্চ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে সাহায্য করে এবং তার ফলে সেই জায়গাটিকে একটি উন্নত বিশ্বে পরিণত করে । বিশ্বের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতার অভিব্যক্তি হিসাবে, মোহনজী তাঁর অনুশীলন এবং কৌশলগুলি বিশ্বব্যাপী সম্প্রদায়ের জন্য বিনামূল্যে উপলব্ধ করেছেন ।
তার অহিংসার আদর্শের সাথে সঙ্গতি রেখে, মোহনজী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে প্রকৃতি এবং এর প্রাণীদের কষ্ট এবং যন্ত্রণার কারণ এড়াতে মানুষকে সচেতন হতে হবে, সেই সচেতনতা অনুযায়ী জীবন পছন্দ করতে মানুষকে সাহায্য করার জন্য নিষ্ঠুরতা মুক্ত বিকল্প বাস্তব উদ্যোগের প্রয়োজন । সেই লক্ষ্যে, তিনি “অহিংস ভেগান” (রেস্তোরাঁর একটি নিরামিষ শৃঙ্খল), “ভেগান ফার্স্ট” (ভেগানদের জন্য ভারতের প্রথম পোর্টাল, যেটি ২০১৯ সালে নয়া দিল্লিতে আন্তর্জাতিক ভেগান সম্মেলনের আয়োজন করেছিল) এবং “অহিংসা ওয়ের” (ভেগান এবং নিষ্ঠুরতা মুক্ত পোশাকের জন্য একটি লেবেল) অনুপ্রাণিত করেছেন । একটি নিষ্ঠুরতা মুক্ত বিশ্ব তৈরির জন্য তাঁর অন্যান্য উদ্যোগের মধ্যে এগুলি কিছু সংস্থার উদাহরণ । বিশ্বের প্রতি তার নিঃস্বার্থ সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ, তিনি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সংস্থা দ্বারা ব্যাপকভাবে সম্মানিত এবং পুরস্কৃত হয়েছেন |

দৃষ্টান্তমূলক নেতৃত্ব

সমস্ত প্রশংসার মধ্যেও, মোহনজী নিজেকে সর্বদা মুক্তির শক্তিশালী ঐতিহ্যের একটি নিছক অভিক্ষেপ বলে মনে করেন | যা মহাত্মারা যুগে যুগে প্রচার করে আসছেন সেই একই অপরিহার্য সত্যগুলিকে পুনরাবৃত্তি করার জন্য তাঁকে পাঠানো হয়েছে বলে মনে করেন । তিনি প্রাচীনকালের রহস্যময় এবং অত্যাশ্চর্য জ্ঞানকে সমসাময়িক শ্রোতাদের কাছে উপলব্ধ করেন কোনরকম গভীরতা হ্রাস না করেই | ধর্ম ও জাতীয়তা নির্বিশেষে, তাঁর শিক্ষাগুলি সরল, ব্যবহারিক এবং সর্বজনীন |
তিনি একটি মৌলিক ব্যক্তিত্ব এবং তিনি হৃদয় থেকে কথা বলেন | তিনি একটি উজ্জ্বল বিশ্বের কল্পনা করেন যা ইতিবাচকতা এবং সহানুভূতির সাথে স্পন্দিত হয় । এই লক্ষ্যে, তিনি অদম্য সাহসের সাথে, নতুন নতুন সংস্থা নির্মাণের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেন ।

পুরস্কার এবং স্বীকৃতি

মোহনজী তার জীবনকে নিঃস্বার্থভাবে বিশ্বের সেবায় উৎসর্গ করেছেন | যারা তাঁকে এবং তার ক্রিয়াকলাপ সম্বন্ধে জানেন তাদের দ্বারা এটি ভালভাবে স্বীকৃত | এই স্বীকৃতিটি বেশ কয়েকটি পুরষ্কার এবং শিরোনাম প্রদান করেছে যা শান্তির জন্য এবং বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর উন্নতির জন্য তার সফল প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে ।

The Brave make their mark. Cowards die anonymous.

উদ্যোগ